বর্ষাকালে কখনো ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে সর্দি-কাশি, বুকে শ্লেষ্মা বা কফ জমার সমস্যা বাড়তে শুরু করেছে ঘরে ঘরে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া বিদায় না নিতেই, শীতের আগমনের সময়টাতে সর্দি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষের প্রথম ভরসা করেন গরম পানির ওপর। কেউ সারাদিন উষ্ণ পানি পান করেন, কেউ আবার ধোঁয়া ওঠা চা বা গরম স্যুপে খোঁজেন স্বস্তি।
- আমাদের শর্তেই আলোচনা ‘ভিক্ষা’ করছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
- * * * *
- ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর শরীরে কোপ, মাথাসহ শরীরে শতাধিক সেলাই
- * * * *
- এআই’র অপব্যবহার রোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী
- * * * *
- মাঠে বলের আঘাতের পর আইসিউতে ভর্তি ভারতীয় আম্পায়ার
- * * * *
- স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
- * * * *
গরম পানি
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে ইহাম উদ্দীন (১ বছর ৪ মাস) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
লেবু শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস পান করার অভ্যাস বহু মানুষের মধ্যেই দেখা যায়—বিশেষত যারা ওজন কমাতে আগ্রহী।
দেশে শীতের শুরুতে তীব্রতা কিছুদিন কম থাকলেও গত কয়েক দিনে হঠাৎ করেই ঠান্ডা বেড়ে গেছে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশে। এমন আবহাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।
শীতকালে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ঠান্ডা, কাশি, জ্বর, গলাব্যথা ইত্যাদি হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় শীতের সকালে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে স্বস্তি মিলবে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় শরীরের তাপমাত্রা কমে হাইপোথার্মিয়াও হতে পারে।
অনেক মুসলমানের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, ঠান্ডা পানি দিয়ে অজু করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, আর গরম পানি ব্যবহার করলে সেই সওয়াব কমে যায়। বিশেষ করে শীতকালে এই প্রশ্নটি বেশি শোনা যায়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করা স্বাস্থ্য রক্ষার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানির উষ্ণতা শরীরের ব্যথা স্থানে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে সেখানে ব্যথা কমাতে এবং সেই স্থান ঠিক হতে সাহায্য করে। এছাড়া, হাড়ের গাঁটে ব্যথা কমাতেও গরম পানি ব্যবহার হয়।